এ.সি.ডি.অর্জুন
ভোলায় সদর উপজেলাধিন কাচিয়া সাহামাদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মীর আমির হোসেন ও রতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন তালুকদারকে গত ১৬ মার্চ ২০২৫ কারিখে গ্রেফতার করে ভোলা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
মঙ্গলবার(১৮ মার্চ'২৫) বিকাল ৩ টায় শিক্ষকদ্বয়কে গ্রেফতারের প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে ভোলা সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতি।
প্রতিবাদ সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠের মাধ্যমে সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন,"ভোলা জেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি শহিদ নুরে আলম ও শহিদ আঃ রহিমকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এটা নিন্দনীয় ঘটনা এবং অমানবিক। সত্যিকারের অভিযুক্তদের আমরাও বিচার চাই।
কিন্তু এই ঘটনার সাথে নিরিহ ও নিরপেক্ষ শিক্ষকদের জড়ানোর বিষয়ে আমরা ভোলা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ উদ্ভেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। তিনি বলেন,আমরা দাবী করছি যে,সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং গ্রেফতারকৃত নিরপরাধ শিক্ষকদের অভিলম্বে মুক্তি দেয়া হোক"।

সভায় সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ আনোয়ার পারভেজ বলেন, "গ্রেফতারকৃত প্রধান শিক্ষকদ্বয় আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত হলেও তারা নুরে আলম ও আঃ রহিম হত্যাকান্ডের সাথে কোন ভাবেই জড়িত নন। তাই আমরা শিক্ষক সমিতির এই সাবেক দুজন সভাপতিকে গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং অনতিবিলম্বে আমির স্যার ও জাকির স্যারের মুক্তি দাবি করছি"।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ভোলা সদর মডেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবু শাহাদাত মোঃ হাসনাইন পারভেজ বলেন,গত ৩১ জুলাই ২০২২ তারিখের রাজনৈতিক ঘটনায় সাবেক ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম ও আঃ রহিম হত্যা কান্ডের পর পুলিশ বাদি হয়ে ১টি মামলা(মামলা নং ৭১) এবং নুরে আলম ও আঃ রহিমের পরিবারের পক্ষ থেকেও দুটি মামলা করা হয়েছিলো। সেই মামলার আসামী হিসেবেই মীর আমির হোসেন ও জাকির হোসেন তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ এবং মামলাগুলোর তদন্তনাধিন রয়েছে"।
ভোলা শহরের বাংলাস্কুল সংলগ্ন ভোলা জেলা শিক্ষক সমিতি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিঠু ও বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ.সি.ডি অর্জুন