ভোলায় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুত পূজা মন্ডপ,সার্বিক সহযোগীতায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন

এ.সি.ডি.অর্জুন
সনাতন ধর্মাবলম্বিদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব-১৪৩২ বঙ্গাব্দ ষষ্ঠি পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে রবিবার(২৮ সেপ্টেম্বর’০২৫)থেকে।
ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখা যায় প্রতিমা গুলোর চুড়ান্ত সাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু মন্দির গুলোর চুড়ান্ত ডেকরেশন ও লাইটিংয়ের কাজ চলছে।
শনিবার(২৭সেপ্টেম্বর’২৫) ভোলা শহরের মোনালিসা গলির পূজা মন্দির,অনুজকাহালি লেনের মন্দির,মিহির লাল সাহার মাঠের মন্দির,শতদল ক্লাব মন্দির,মদনমোহন মন্দির ও আবাহাওয়া অফিস রোডের বাপ্তা শক্তিসংঘ মন্দির সহ বেশ কয়েকটি মন্দির ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি মন্দিরে আনন্দ মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
অন্য দিকে ভোলা জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের সবচেয় বড় এই দুর্গা পূজা উদযাপনের সময় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষে ভেলা জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি লক্ষ করা গেছে।
পূজায় সার্বিক নিরাত্বা রক্ষার্থে প্রতিদিন সকাল-বিকাল প্রতিটি পূজা মন্ডপে টহল জোরদার করতে দেখা যায় রেব,নৌবাহিনী,পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যদের।
এ বিষয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর’০২৫ জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেত্রিবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেত্রিবৃন্দের সাথে এক প্রস্তুতিমুলক সভা শেষে ভোলার জেলা প্রশাসক মোঃ আজাদ জাহান বলেন,”এবার ভোলা জেলায় মোট ১১৩ টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর সনাতন ধর্মাবলম্বিদের সর্বোচ্চ এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সার্বিক সুন্দর ভাবে উদযাপন করানোর জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে”।

ডিসি বলেন,”এ বিষয়ে ভোলা জেলার প্রতিটি উপজেলার পুজা উদযাপন কমিটির সাথে একাধিকবার সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তাদের তরফ থেকে পুজায় দর্শনার্থিদের আগমন সহজ ও মসৃন করার জন্য রাস্তা মেরামতসহ যেখানে যে ধরনের সমস্যার কথা শুনেছি সেখানেই সমাধান করা হয়েছে। তাছাড়া প্রতিটি পুজা মন্ডপ জেলা প্রশাসনের নজরদারিতে আছে এবং থাকবে”।
একই দিনে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেত্রিবৃন্দের সাথে মতবিনিময় শেষে ভোলার পুলিশ সুপার মোঃ শরীফুল হক বলেন,”সনাতন ধর্মাবলম্বিদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজাকে সার্বিক নিরাপত্বা প্রদানের লক্ষে ভোলা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে”।
এসপি বলেন,”ভোলা জেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপকে নিরাপত্বা দেয়ার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত সংখ্যক পোশাকধারী পুলিশ ও আনসার ভিডিপির সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা শাখাসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা টহলরত থাকবে। তারপরও কোন সমস্যা চিন্হিত হলে সাথে সাথেই কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ভোলা জেলা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে”।

