শিরোনাম

“চুপ্পুর হাত থেকে জুলাই সনদ নেয়া মানে নদীদে ঝাপ দিয়ে আত্নহত্যা করা”- হাসনাত আব্দুল্লাহ

 

এ.সি.ডি.অর্জুন

“জুলাই সনদ অবশ্যই ডক্টর মোঃ ইউনুছের সিগনেচারে হতে হবে। আমরারা দেখছি কেউ কেউ চপ্পুর(রাস্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চপ্পু) সিগনেচারে জুলাই সনদ নিতে চায়। কিন্তু চুপ্পুর সিগনেচারে তার হাত থেকে জুলাই সনদ নেয়া আর নদীতে ঝাপ দিয়ে আত্নহত্যা করার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই’।

কথাগুলো বলছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)র দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বা সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

রবিবার(২নভেম্বর)ভোলা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত দলীয় সমন্বয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, “জুলাই সনদ অবশ্যই ডক্টর ইউনুছের অর্ডারে হতে হবে। তিনি বলেন ঢাকার পরে এই দ্বীপ জেলা ভোলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৬ জন শহীদ হয়েছেন। এখন সেসব শহীদ পরিবার যদি জানে যে, চপ্পু্র কাছ থেকে জুলাইয়ের সার্টিফিকেট নিতে হবে তাহলে তারা আত্বহত্যা করবে”।

হানসাত বলেন,”ইতিহাসের কি নির্মম বাস্তবতা? ফ্যাসিবাদের সুপ্রিম লিডার চুপ্পুর হাত থেকে বায়াত নিয়ে জুলাই সনদ ঘোষণা করতে হবে। যা কখনোই সম্ভব হবেনা”।

আপনারা নির্বাচনের আগে কোন জোটে যাবেন কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত বলেন, “প্রয়োজন হলে যারা সংস্কারে বিশ্বাসী এবং আমাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী শুধু তাদের সাথেই জোটবদ্ধ হতে পারি। সেটা সময়ই বলে দিবে”।

পিআর পদ্বতির বিষয়ে হাসনাত বলেন, “পিআর পদ্বতি শুধুমাত্র উচ্চ কক্ষে প্রয়োজন। নিন্ম কক্ষে নয়। আমার জানা মতে জামায়েত ইসলামীও পিআর পদ্বতির দাবি থেকে সরে এসেছে”।

ভোলা জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা সমন্বয় সভা শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি ভোলা জেলার নেতা মোঃ শরীফ সহ এনসিপির সকল স্তরের নেতা-কর্মী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে লাইক দিন